আমতলীতে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আহত ৩

এ এস এম জসিম
এ এস এম জসিম, বার্তা সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৩ পিএম, ৯ মে ২০২০

ছবিঃ সংগ্রহীতআমতলী প্রতিনিধি:
বরগুনার আমতলীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে ৩ জনকে।
আহতরা হলেন মো. হারুন (২৪) এলেনুর(৩০) রেহেনা পারভীন (৩৮) ।

ঘটনাটি ঘটেছে (শুক্রবার) বিকেলে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে।

আহত হারুন (২৪)কে গুরুতর আহত অবস্থায় পটুয়াখালী হাপপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শনিবার বিকালে আমতলী থানায় ১০ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহতদের স্বজন মো. আনোয়ার ফকির।

আমতলী থানায় ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের আনোয়ার ফকির (৫০) গংদের সাথে মো. বারেক আকন (৫৮) গংদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার (৬ মে) উভয় পক্ষের মধ্যে জমি চাষাবাদ নিয়ে মারামারি হয় মারামারিতে আনোয়ার ফকিরের চাচাত ভাই মো. হারুন ফকিরকে বেদড়ক মারধর করেন বারেক আকনের লোকজন ।

এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে হারুন ফকির ইনজেকশন পুশ করার জন্য কুকুয়ার আজীমপুর বাজারে যাওয়ার পথে বারেক আকন (৫৮) মহসীন (৪৫) হাবিবুর রহমান লাল (৫৮) মান্নান হাওলাদার (৪২) আহসান (৩৫) জব্বার হাং (৫৫) বাবুল (৫০) মাহবুবুল (২৫) এলাহি (২২) রাহিমা বেগম (৪৫) পূর্ব পরিপলিকল্পিত ভাবে আইনি জনতা বদ্ধে দাও ছেনা লোহার রড লাঠিসহ চার দিকদিয়ে হারুন ও তার সাথে থাকা ২ নারীকে ঘিরে পথরোধ করে পূর্বের জের ধরে অনার্থক তর্কের সৃষ্টি করে হারুন(২৪)কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং হারুনের সাথে থাকা তার বোন এলেনুর বেগমে(৩০) রেহেনা পারভীন (৩৮)কে মারধোর কোরে তাদের সাথে থাকা স্বর্নলংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায় বারেক আকন গ্রুপের লোকজন।

আহতদের চিৎকারে স্বজন ও এলাকাবাসীরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। স্বজনরা গুরুতর আহত হারুন (২৪) কে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আর এলেনুর (৩০) রেহেনা পারভীন (৩৮) কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। আমতলী হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হারুনের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে পটুয়াখালী হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বারেক আকনের কাছে জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে বারবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ হারুন-অর রশিদ বলেন, আহতদের শরীরের বিভিন্নস্থানে মারাত্মক ফুলা জখমের চিহ্ন রয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহআলম হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন, ঘটনা শুনে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)