অবশেষে মিয়ানমারের সেনারা পেছনে সরল

এ এস এম জসিম
এ এস এম জসিম, বার্তা সম্পাদক
প্রকাশিত: ১০:৫২ এএম, ৪ মার্চ ২০১৮ | আপডেট: ১১:১৬ এএম, ৪ মার্চ ২০১৮

অনলাইন ডেস্কঃ
মিয়ানমার-বাংলাদেশের তমব্রু সীমান্তে পতাকা বৈঠকের একদিন পর গতকাল শনিবার (৩ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে বিজিপি (বর্ডার গার্ড পুলিশ) ও সেনাদের মহড়া হ্রাস পেয়েছে। তাও গতকাল সকালে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী-বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়ানোর পরই শূন্য রেখা থেকে বিজিপি ও মিয়ানমারের সেনারা সরে যেতে শুরু করেন। তবে সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকা থেকে মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী-বিজিপি একটু পেছনে সরে গেলেও ওই সীমান্তে তাদের সংখ্যা রয়েছে আগের মতোই।

তমব্রু সীমান্তের কোণার পাড়া শূন্য রেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পূর্ব পার্শ্বের কাটাতার সংলগ্ন সীমান্ত সড়কের পাহাড়ের ওপর গত কিছুদিন ধরে মাইক লাগিয়ে মিয়ানমার বাহিনী রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে নানা উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলার যে অভিযোগ ছিল তাও কমে গেছে।

এমনিতেই ১৫-২০ মিনিট পর পর মাইকে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে শূন্য রেখা থেকে সরে যাওয়া সহ নানা উস্কানি ছুঁড়ে দেওয়া হত।

তবে গতকাল সকাল থেকে জোহরের সময় পর্যন্ত মাইক শুনা না গেলেও বিকালে আবার মিয়ানমার বাহিনীর মাইকে রোহিঙ্গাদের উদ্দেশে বলা হয়, ‘তোমারা শূন্য রেখা ছেড়ে চলে যাও।’

বাংলাদেশের তমব্রু সীমান্তের আবু বকর সিদ্দিক নামের একজন গ্রামবাসী জানান, ‘গত বৃহস্পতিবার থেকে সীমান্তের শূন্য রেখা সংলগ্ন এলাকায় মিয়ানমার সেনা ও বিজিপি ভারি অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে শুরু করে। তাদের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ানো হচ্ছিল। তবে শুক্রবারের পতাকা বৈঠকের পর গতকাল সকাল ১১টার পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করে।’

গ্রামবাসী আবু বকর সিদ্দিক আরো জানান, এই প্রথম বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী-বিজিবি সদস্যরা গতকাল সকালে তমব্রু খালের তীরবর্তী এলাকায় অবস্থান নিতে শুরু করে। যেই বিজিবি ঘন ঘন দুরত্বে অবস্থান নিতে শুরু করে তখনই মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপি সদস্যরা হাত গুটিয়ে পেছনে যেতে থাকে।

তমব্রু শূন্য রেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা ফরিদ আলম জানিয়েছেন, ‘গতকাল সকাল থেকে সীমান্তের শূন্য রেখা সংলগ্ন এলাকা থেকে বিজিপি ও মিয়ানমার সেনারা পেছনে সীমান্ত সড়কের আড়ালে গিয়ে অবস্থান নিয়েছে। তবে তারা সীমান্ত এলাকা থেকে দুরে সরে যায়নি। কেবল তাদের বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে যাতে দেখা না যায় তেমন অবস্থানেই গেছে।’(সূত্রঃ কালের কন্ঠ)

পাথরঘাটা নিউজ/এএসএমজে/৪ মার্চ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)