অসম্ভবকে সম্ভব করে ৫ উইকেটে জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ,
প্রকাশিত: ০১:১৬ এএম, ১১ মার্চ ২০১৮

টি-টোয়েন্টি
অনলাইন ডেস্কঃ বেশ কয়েক বছর আগে গ্রামীণ ফোনের একটি বিজ্ঞাপন বেশ জনপ্রিয়তা পায়। অনন্ত জলিল অভিনীত বিজ্ঞাপনটিতে দেখা যায়, চোখের এক পলকে সব অসম্ভব সম্ভব করে ফেলেন তিনি। তবে আজ বাংলার টাইগারদের খেলা দেখে সেই বিজ্ঞাপনটির কথা মনে পড়লো। অসম্ভবকে সম্ভব করে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে জয় লাভ করেছে বাংলার দামাল ছেলেরা। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে দুই শতাধিক রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ছিল না মুশফিক-রিয়াদদের। কিন্তু শনিবার (১০ মার্চ) প্রেমাদাসায় ২১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় তুলে ইতিহাস সোনার ছেলেরা। যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ বড় জয়ের রেকর্ড।

ম্যাচটিতে লঙ্কানদের ২১৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং ঝড় তোলেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ও লিটন পায় ৭৪ রান এরপর লিটন ১৯ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন। সেখান থেকে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে ৯.২ ওভারেই শতরান তোলেন তামিম। কিন্তু পরের বলেই আউট হয়ে যান দেশসেরা ওপেনার। যাওয়ার আগে ২৯ বলে ৬টি চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করে যান। তৃতীয় উইকেটে মুশিফক ও সৌম্য ৫০ রান তোলেন।

এরপর ১৫১ রানের সময় হাতখুলে মারতে শুরু করা সৌম্যও আউট হয়ে যান। ২২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেন। সেখান থেকে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দলীয় সংগ্রহকে ১৯৩ পর্যন্ত টেনে নেন। জয়ের বন্দর থেকে ২২ রান দূরে থাকতে আউট হন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে চামিরার হাতে ধরা পড়েন তিনি। দারুণ দক্ষতায় তার বল তালুবন্দি করেন চামিরা। এরপর সাব্বির রহমান ডাক মেরে ফিরলেও মুশফিক একপ্রান্ত আগলে রেখে জয় তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অভিজ্ঞত এই ব্যাটসম্যান মাত্র ৩৫ বলে ৫টি চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন।

তার আগে টস হেরে ম্যাচটিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় লঙ্কানদের হয়ে বড় সূচনা করেন দানুষ্কা ও মেন্ডিস। ম্যাচটিতে ব্যাট হাতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং ঝড় শুরু করেন লঙ্কান দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে ৪.২ ওভারেই ৫৬ রান তুলে ফেলেছিল তারা। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ান পেসার মোস্তাফিজ। দানুষ্কা গুনাথিলাকাকে ডাইরেক্ট বোল্ড আউট করে মোটামুটি স্বস্তি এনে দেন দলে।

কিন্তু সেই স্বস্তিতে ফের দীর্ঘশ্বাসে পরিণত করেন মেন্ডিস ও পেরেরা। দুজন মিলে দলীয় সেঞ্চুরি পার করেন। আর সে মুর্হুতে বল হাতে আসেন পার্টটাইম বোলার রিয়াদ-সৌম্য। এসেই ম্যাজিক দেখান রিয়াদ। তুলে নেন মেন্ডিসের উইকেট। যদিও ততক্ষণে ব্যক্তিগত অর্ধশতক পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন তিনি।

শেষের দিকে উইকেট পতনের মাঝেও ঠিকই ব্যাটিং ঝড় চালিয়ে যান পেরেরা-থারাঙ্গা। মূলত টপঅর্ডার ও লোয়ার অর্ডারের থারাঙ্গার কল্যাণে বড় সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় লঙ্কানরা।
ম্যাচটিতে বাংলাদেশের মোস্তাফিজ তিনটি, মাহমুদউল্লাহ দুটি এবং তাসকিন একটি উইকেট লাভ করেন
এ এম বি / পাথরঘাটা নিউজ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)